রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৫

শেয়ার ক্যাটাগরী



ভাল শেয়ার কিভাবে চিনবেন তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমি শেয়ার ক্যাটাগরী সম্বন্ধে লিখবো। আমার আগের লেখায় (কিভাবে ভাল শেয়ার নির্বাচন করবেন ?) বলেছিলাম ৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করার জন্য। ঔ পাঁচটির মধ্যে একটি হচ্ছে ক্যাটাগরী।
শেয়ার বাজারে মোট পাঁচ ক্যাটাগরীর শেয়ার আছে। ক্যাটাগরী গুলো হচ্ছে :
১। ক্যাটাগরী-এ (A)
২। ক্যাটাগরী-বি (B)
৩। ক্যাটাগরী-জি (G)
৪। ক্যাটাগরী-এন (N)
৫। ক্যাটাগরী-জেড (Z)

ক্যাটাগরী-এ :

যে সব কোম্পানী মিয়মিত বার্ষিক সাধারন সভা (AGM) করে এবং নূন্যতম ১০% বা তার চেয়ে অধিক হারে লভ্যাংশ প্রদান করে সে কোম্পানীর শেয়ার এ ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-বি:

যে সব কোম্পানী নিয়মিত সাধারন সভা (AGM) করে কিন্তু ১০% এর কম হারে লভ্যাংশ প্রদান করে সে কোম্পানীর শেয়ার বি ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-জি:

যে সকল কোম্পানী এখনো তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেনি সে কোম্পানীর শেয়ার জি ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-এন:

শেয়ার বাজারে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারকে এই শ্রেনীতে রাখা হয়। (জি ক্যাটাগরী ব্যাতিত) এবং বার্ষিক সাধারনসভা ও লভ্যাংশ প্রদানের উপর ভিত্তি করে তাকে অন্য ক্যাটাগরিতে নেয়া হয়।

ক্যাটাগরী-জেড:

যে সকল কোম্পানী নিয়মিত বার্ষিক সাধারন সভা (AGM) করে না। লভ্যাংশ প্রদান করতে ব্যার্থ পুঞ্জিভুত লোকসান সঞ্চিত মুনাফাকে ছাড়িয়ে যায়। ৬মাস বা তার বেশী সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ। সে কোম্পানীর শেয়ার জেড ক্যাটাগরীর।
কোন শেয়ার কোন ক্যাটাগরীর তা জানতে এখানে ভিজিট করুন শেয়ার 
আশাকরি বুঝতে পারছেন কোনটা ভাল কোম্পানীর শেয়ার। তবে শুধু ক্যাটাগরীর উপর নির্ভর করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করা ঠিক হবে না। এর জন্য আরো রয়েছে :
১। শেয়ার প্রতি আয় (earnings per share: EPS)
২। প্রতি শেয়ারে মুনাফা প্রদান (dividend per share: DPS)
৩। মুল্য-আয় অনুপাত (price earning ratio: P/E)
৪। মুনাফা অর্জনের হার (Dividend yield) ইত্যাদি।
আমার আগের লেখাগুলোতে বলেছিলাম শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে। নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে আপনি পুরোপুরি প্রস্তুত বিনিয়োগের জন্য।
মানসিক প্রস্তুতি
শুরু করার পূর্বে বড় করে একটা শ্বাস নিন এবং নিজেকে সাহস দিন, যেন যেকোন পরিস্থিতিতে ভেঙ্গে না পড়েন। হার্টটাকে শক্ত করুন। ধের্য্যশীল হোন। এগুলো যদি না থাকতো তাহলে ১৯৯৬ সালে আমার একটা শেয়ার যখন ২৪৮ টাকা থেকে মাত্র ৩৪ টাকায় নেমে এসেছিল তখন আমার অবস্থাটা একটু চিন্তা করে দেখুন? নো রিসক নো গেইন।
ভাল শেয়ার কিনুন
ভাল শেয়ার কিনুন-এই উপদেশটা সবাই দেয়, ডিএসই’র চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বাজারের কনিষ্ঠতম বিনিয়োগকারী। কিন্তু ভাল শেয়ার বুঝবো কিভাবে ? ভাল একটি আপেক্ষিক শব্দ। একজনের কাছে যা ভাল অন্য জনের কাছে তা নাও হতে পারে। যদি নির্দিষ্ট করে বলাই যেত উমুক শেয়ার সবচেয়ে ভাল তাহলেতো সবাই ঐ নির্দিষ্ট শেয়ারই কিনতো। তাই ভাল শেয়ার নির্বাচন করতে হবে আপনাকে।
কিসের উপর নির্ভর করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করবেন ?
১। ক্যাটাগরী (Category)
২। যেমন শেয়ার প্রতি আয় (earnings per share: EPS)
৩। প্রতি শেয়ারে মুনাফা প্রদান (dividend per share: DPS)
৪। মুল্য-আয় অনুপাত (price earning ratio: P/E)
৫। মুনাফা অর্জনের হার (Dividend yield) ইত্যাদি।

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫

গুগলিং করুন ট্রিক্স খাটিয়ে। অযথা টাইম নষ্ট না করে এখনই ট্রিক্সগুলো জেনে নিন।

 
 
ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন কিন্তু গুগলে সার্চ করছেন না কিংবা প্রয়োজনীয় সাইট কিংবা তথ্য পেতে গুগলের দারস্ত হতে হয়না এমন মানুষ খুজে পাওয়া কষ্টকর। অনেকেই গুগলের নাম জানেন, কাজও করেন কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার না জানার কারনে প্রয়োজনীয় বিষয়টি খুজে পেতে অনেক বেগ পোহাতে হয়। যেমন আপনার হয়তো এ মূহুর্তে অষ্ট্রেলিয়ার সময় জানা দরকার, Australia local time লিখে সার্চ দিচ্ছেন, হয়তো প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়েও যাবেন। জানেন কি, আরো ছোট করে time Australia লিখে সার্চ দিলে আরো ভাল ফলাফল পাবেন!!!
তাছাড়া সময়ও বাঁচবে।
চলুন দেখে নিই গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে কার্যকরীভাবে সার্চ করবার কিছু টিপস এবং কম সময়ে কিভাবে প্রয়োজনীয় সাইট কিংবা তথ্য খুজে পেতে পারিঃ
প্রথমেই শুরু করছি fill in the blanks বা শুন্যস্থান পূরণ সার্চ দিয়ে।
ধরুন আপনি একটি শহরের নাম জানেন(Alabama) কিন্তু সেটা কোথায় অবস্থিত সেটা জানেন না। গুগলে গিয়ে লিখুন alabama is located in (*), মানে শুন্যস্থানে ব্র্যাকেটের মাঝে ষ্টার দিয়ে দিন। নিজেই চেষ্টা করে দেখুন উত্তরটা কিভাবে আসে।
তারপর ধরুন একটি নির্দিষ্ট সাইটের ভেতরে আপনি সার্চ করতে চাচ্ছেন, কিভাবে করবেন?
[সার্চ query site:sitename] এই নিয়মে এ সার্চ করলে নির্দিষ্ট সাইটের ভেতর থেকে আপনার কাঙ্খিত ফলাফলটি বের করে আনতে পারবেন। যদি mediafire site:earntricks.com লিখে সার্চ দিন, গুগল আর্নট্রিক্স ওয়েব সাইট থেকে শুধুমাত্র mediafire শব্দটির সার্চ রেজাল্ট দেবে। আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন ডোমেইন থেকে সার্চের রেজাল্ট চান, তাহলে এইভাবে টাইপ করুন mediafire site:.bd। এ ক্ষেত্রে mediafire লিখাটি শুধুমাত্র যে সমস্ত .bd ডোমেইনের সাইট আছে সে সমস্ত সাইটকে সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।
সাইটের টাইটেল অথবা সাইট টেক্সটে খোজাঃ
[intitle:সার্চ query] অথবা [intext:সার্চ query] এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে আপনার কাংখিত শব্দটি ওয়েবসাইট টাইটেল অথবা সাইটের ভেতরের টেক্সট থেকে বের করে দেবে।
যেমনঃ intitle:free lynda tutorial লিখে সার্চ দিলে, যেসব ওয়েব সাইটের টাইটেলে free lynda tutorial কথাটি আছে, সেসব সাইটকে রেজাল্টে দেখাবে। অন্যদিকে, intext: lynda tutorial লিখে সার্চ করলে, যেসব ওয়েব সাইটের ভেতরের টেক্সটে (টাইটেলে নয়) lynda tutorial কথাটি আছে, সেসব সাইটকে রেজাল্টে দেখাবে।
কোন নির্দিষ্ট সাইটের লিঙ্ক কোন কোন সাইটে ব্যবহার করা হয়েছে জানা দরকার?
[link:url] এই সিনট্যাক্সের মাধ্যমে কাজটি করতে পারবেন। শুধু url এর জায়গায় আপনার কাংখিত সাইটের url টি দিয়ে সার্চ দিন। যেমনঃ link:desteaminstitute.com লিখে সার্চ করলে যে সমস্ত সাইটে desteaminstitute.com এর লিঙ্কটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা রেজাল্ট হিসেবে দেখাবে।
আপনার পছন্দের সাইটের মত আর কি কি সাইট আছে জানা দরকার?
ধরুন প্রিয় কোন সাইটে বাংলা খুজছেন কিন্তু পেলেন না, সেক্ষেত্রে এমন আর একটি সাইট খোজার প্রয়োজন হল যেটা আপনার প্রিয় সাইটের এর মত টিউটোরিয়াল শেয়ার করে, তাহলে পরিচিত সাইটটির আগে লিখুন related:
যেমনঃ related:prothom-alo.com লিখে সার্চ দিলে গুগল বাংলাদেশের অন্যান্য অনলাইন নিউজপেপার সাইটের সার্চ রেজাল্ট দেবে।
আপনি জানেন, গুগলকে ক্যালকুলেটর হিসেবেও ব্যবহার করা যায়!!!
যে হিসাবটি করতে চান তা যথাযথভাবে সার্চ বক্সে লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপঃ 2 + 3
3*2+1
sqrt 9
sin 90 + log 10
লিখুন, সার্চ করুন, দেখুন কি রেজাল্ট আসে।
কোন নির্দিষ্ট শব্দের সমার্থক শব্দ দরকার?
গুগলে নির্দিষ্ট শব্দের আগে (~) টিলড চিহ্নটি বসিয়ে সার্চ দিলে সমার্থক শব্দ পেয়ে যাবেন। যেমনঃ ~gorgeous লিখে সার্চ দিয়ে দেখুন তো, কতগুলো সিনোনিম খুজে পাওয়া যায়।
ফিচারটির নাম সিনোনিম সার্চ।
কোন কিছুর সংজ্ঞা পেতে:
আপনি যদি কোন শব্দের সংজ্ঞা পেতে চান তবে কোলন দিয়ে লিখুন।
উদাহরণ: define:plethora
সুনির্দিষ্ট ফাইল টাইপঃ
ফাইলের ধরন সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া সম্ভব গুগল সার্চে। যেমন: filetype:pdf ফলাফলে সব পিডিএফ ফাইল দেখা যাবে। একইভাবে .ppt (পাওয়ার পয়েন্ট ফাইল), .doc (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল), .swf (ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ফাইল)সহ আরো অনেক ধরনের ফাইলের ধরন নির্দিষ্ট করে দেওয়া সম্ভব।
আবহাওয়া সার্চঃ
ঠিক টাইম সার্চের মতই পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার আবহাওয়া পূর্বাভাস জানতে গুগল সার্চ ব্যবহার করুন। লিখুন weather:[place/city] অথবা weather [place/city]। যেমনঃ লিখুন ও সার্চ করুন weather:Dhaka অথবা weather:Geneva। এখানে শহর বা জায়গাটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ হতে হয়।
সর্বশেষ আকর্ষনীয় টিপস,
পাইরেটেড ডাওনলোডঃ
প্রয়োজনীয় বই বা টিউটোরিয়ালের ফ্রি ডাওনলোড লিঙ্ক পাচ্ছেন না? কোন সমস্যা নেই। সেই বই বা টিউটোরিয়ালের নামের শেষে একটা স্পেস দিয়ে warez লিখে সার্চ দিন, দেখুন কত কত পাইরেটেড ফ্রি ডাওনলোডের লিঙ্ক চলে আসছে।
আশা করি পরবর্তী সময়ে গুগল সার্চ করতে টিপসগুলো আপনাদের কাজে আসবে। আজ এ পর্যন্তই, ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫

শেয়ার ব্যবসা কিভাবে শুরু করব? বিও একাউন্ট কি? এটি কিভাবে খোলে।

শেয়ার ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি BO account খুলতে হবে। ব্রোকার হাউস থেকে BO account খুলতে হয়। শেয়ার যেখানে বসে কেনা বেচা হয় তাকে ব্রোকার হাউস বলে। আপনি আপনার এলাকার বা আপনি যেখান থেকে ব্যবসা করতে চান সেরকম একটি ব্রোকার হাউসে গিয়ে BO account খুলতে পারবেন। আপনি single অথবা joint account খুলতে পারবেন। ব্রোকারকে বললে আপনাকে তারা একটি ফর্ম দিবে। ঐ ফর্মটি পুরণ করে তাদের কাছে দিতে হবে। সাথে দিতে হবে

১। ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
২। আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( যে ব্যাংকে আপনার একাউন্ট আছে ঐ ব্যাংকে গিয়ে চাইলেই আপনাকে তারা স্টেটমেন্টটি দেবে।
৩। একজন নমিনির ছবি।
৪। আপনার ভোটার আইডির ফটোকপি।
বিভিন্ন ব্রোকার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেতে পারে। তাই তাদের কাছ থেকে ঠিকভাবে সবকিছু জেনে নিন। BO account খোলার জন্য ব্রোকাররা ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত চার্য করে থাকে।

Lot কি?

শেয়ার কিনতে হলে আপনাকে লট হিসেবে কিনতে হবে। বিভিন্ন কম্পানির লট সংখ্যা বিভিন্নঃ

 যেমন উপরের কম্পানিটি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে এর মার্কেট লট (লাল দাগ দেয়া) ৫০০। এর অর্থ আপনি যদি এই কম্পানির শেয়ার কিনতে চান তবে আপনাকে একবারে ৫০০ টি শেয়ার কিনতে হবে। এই কম্পানির last trade price 55. তাই ৫০০ টি শেয়ারের দাম হবে ৫০০*৫৫=২৭৫০০ টাকা। আপনি যদি বেশি শেয়ার কিনতে চান তবে লটের গুনিতক হারে অর্থাৎ ৫০০/১০০০/১৫০০ এভাবে কিনতে হবে।



আবার এই কম্পানিটি লক্ষ্য করুন। এর মার্কেট লট ৫ টি। তাই আপনি যদি এই শেয়ার কিনতে চান তবে আপনাকে ৫/১০/১৫ এভাবে কিনতে হবে। আশা করি লট কি তা এখন বুঝতে পেরেছেন।

শেয়ার মার্কেটের বিভিন্ন শেয়ারের দাম কিভাবে পড়ব ?



শেয়ার মার্কেটের বিভিন্ন কম্পানির শেয়ারের দাম ডিএসইর ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।এখানে বিভিন্ন কম্পানির শেয়ারের দামের বিবরণ উপরের ছবির মত দেয়া থাকে। আসুন এবার শিখে নেই কিভাবে এই তথ্য গুলো পড়বঃ-
১। Last Trade: এই কম্পানির লাস্ট ট্রেড কত টাকায় হয়েছে। দেখা যাচ্ছে এই কম্পানির একটি শেয়ারের দাম সর্বশেষ ৩৩২.৪০ টাকায় হয়েছে।
২। Day's range: ঐ দিনে ঐ কম্পানির একটি শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যা। দেখা যাচ্ছে ঐ দিনে এই কম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ৩৩৮ টাকা ও সর্বনিম্ন ৩২৯.৭ টাকা।
৩। Open price: যেইদিনের দাম দেখান হচ্ছে সেইদিনে ঐ কম্পানির শেয়ারের দাম কত দিয়ে শুরু হয়েছে।
৪। Yesterday close: যেইদিনের দাম দেখান হচ্ছে তার আগের দিনে শেয়ারটির লাস্ট দাম কত ছিল।
৫। Volume: মোট কতগুলো শেয়ার কেনা বেচা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে ঐ দিনে ১১০৬১৫০ টি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। যেহেতু এই কম্পানির লট সংখ্যা ৫০ টি । তাই মোট ১১০৬১৫০/৫০=২২১২৩ টি লট কেনাবেচা হয়েছে।
৬। Total trade: ঐ দিনের মোট ট্রেড সংখ্যা।
৭। Change: আজকের লাস্ট প্রাইস ও গতকালের লাস্ট প্রাইসের পার্থক্য(৩৩২.৪-৩৩০.৯=১.৫) ও তার পার্সেন্টেজ।
৮। 52 week's range: ঐ দিন থেকে ১ বছর আগের সময়ের মধ্যে ঐ শেয়ারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম।
৯। Market lot: ঐ কম্পানির মার্কেট লট। 
১০। এখান থেকে কম্পানির বিগত সময়ের শেয়ারের দাম ও ভলিউমের চার্ট দেখা যায়।

বিভিন্ন শেয়ারের ক্যাটাগরি বা শেয়ারের শ্রেণী বিভাগ



আমাদের বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে যে সকল শেয়ার রয়েছে তাদেরকে ৫ টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

A - যারা নিয়মিত AGM (Annual General Meeting) করে ও ১০% এর বেশি লভ্যাংশ প্রদান করে।
B -যারা নিয়মিত AGM (Annual General Meeting) করে কিন্তু ১০% এর কম লভ্যাংশ প্রদান করে।
G - বাজারে আসা নতুন কম্পানি কিন্তু এখনো কম্পানি চালু হয় নি।
N - বাজারে নতুন আসা কম্পানি।
Z - অনিয়মিত AGM ও লভ্যাংশ প্রদান করে না।

তাই শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করার আগে অবশ্যই এটি দেখে নেয়া উচিত।

শেয়ার কেনার আগে যা যা দেখে নেয়া উচিত



শেয়ার কেনার আগে অবশ্যই ইনভেস্টরকে কিছু জিনিস দেখে বিবেচন আকরে শেয়ার কেনা উচিত। হুট করে না বুঝে শেয়ার কেনার কোন মানেই হয় না। তাতে হয়তোবা মাঝে মধ্যে লাভ হতে পারে কিন্তু লসের চান্সই বেশি।

প্রথমেই  আপনাকে দেখতে হবে শেয়ারটি কোন ক্যাটাগরির। চেস্টা করবেন A অথবা ভাল কম্পানি হলে N ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে। কিন্তু খেয়াল রাখবেন A ক্যাটাগরির শেয়ার সবসময় ভাল নাও হতে পারে। ঐ বছর তাদের ব্যাবসা খারাপও যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত  দেখে নিন কম্পানির EPS ( Earning per share) কত? Eps যদি কম হয় তবে ঐ শেয়ার কেনা কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যে কম্পানির শেয়ারের নিজস্ব কোন ইনকাম নেই সেই শেয়ারের দাম কিভাবে বাড়বে? আর যদিও ঐ শেয়ারের দাম বাড়তি থাকে তবে ধরে নিবেন নিশ্চয়ই কোথাও কোন সমস্যা আছে।
তৃতীয়ত  দেখে নিন ঐ শেয়ারের PE (Profit earning ratio) কত। যে শেয়ারের PE যত বেশি সেই শেয়ার তত অতি মূল্যায়িত। আমাদের মার্কেটে ২৫ এর চেয়ে বেশি PE কে ঝূকিপূর্ণ ধরা হয়।

তাই শেয়ার কেনার আগে অন্তত এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করে শেয়ার কিনুন।