শেয়ার ব্যাবসায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শেয়ার ব্যাবসায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৫



আপনি শেয়ার কিনবেন। তা কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কিনবেন?

আপনি শেয়ার কিনার সিদ্ধান্ত নিবেন ২টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে।তা হলঃ- ১)মৌলিক বিশ্লেষণ। ২) কৌশলগত বিশ্লেষণ ।

মৌলিক বিশ্লেষণ কখন প্রয়োগ করবেন?
যখন আপনি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করবেন। আর-

কৌশলগত বিশ্লেষণ কখন প্রয়োগ করবেন?
যখন আপনি স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগ করবেন।
মৌলিক বিশ্লেষণ কি?
যে কোম্পানির শেয়ার কিনবেন তার মৌল ভিত্তি বা অন্তর্নিহিত শক্তি সম্পর্কে জানার জন্য যে বিশ্লেষণ করা হয় ।

কৌশলগত বিশ্লেষণ কি?
বাজারের গতি প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে শেয়ার কিনা । এর সাথে কম্পানির অবস্থানের বা ভিত্তির সাথে কোন সম্পর্ক নাই ।

যেভাবে করবেন মৌলিক বিশ্লেষণঃ
এটা ৩ ভাবে করতে হয়ঃ১) দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবস্থার বিশ্লেষণ ।
২) যে কোম্পানির শেয়ার শেয়ার কিনতে যাচ্ছেন তা যে শিল্পের অন্তর্গত অর্থাৎ কোম্পানি ঔষধ বা সিরামিক বা যে শিল্পের আওতা ভুক্ত সে শিল্প খাতকে বিশ্লেষণ ।
৩) যে কোম্পানির শেয়ার কিনতে যাচ্ছেন তার বিশ্লেষণ ।


আজ এ পর্যন্তই।

শেয়ার বাজারঃ আপনার জন্য কিছু পরামর্শ

আপনি কি বাংলাদেশের শেয়ার বাজার এ বিনিয়োগ করতে চান? বন্ধু বান্ধব এবং অফিস কলিগদের কাছে শুনেছেন, শেয়ার ব্যবসায় শুধু লাভ আর লাভ, রাতারাতি কোটিপতি। আর দশটা ব্যবসার মতো এটাও একটা ব্যবসা, যাতে ঝুঁকি আছে। বর্তমানের বিনিয়োগকারীরা যে ভাবে বিনিয়োগ করে থাকে তাকে ট্রেডিং না বলে গ্যাম্বলিং বলাই ভাল। কিন্তু আসলেই কি শেয়ার ব্যবসায় গ্যম্বলিং? না শেয়ার ব্যবসায় গ্যাম্বলিং না বরং ইনভেষ্টমেন্ট, একটি বিজনেস। একজন সফল বিজনেসম্যান হতে হলে অবশ্যই আগে ব্যবসাটা সর্ম্পকে জানতে হবে। এটার পুরা আইডিয়া নিতে হবে। নিজের ব্যবসাটাকে প্রফিটেবল বানাতে চাইলে এবং লসের হাত থেকে বাচতে চাইলে অবশ্যই খুটিনাটি সব কিছু জানতে হবে।
তবে হতাশ হবার কিছু নেই। শেয়ার ব্যবসায় বুঝে শুনে টাকা খাটালে আসলেই যথেষ্ট পরিমান লাভ আছে। শেয়ার বাজারে পুঁজি বিনিয়োগ করে বিশাল লাভবান হবার কোন সুনির্দিষ্ট বা শর্টকাট পথ নেই। তবে নিচের পরামর্শগুলো মেনে চললে নিঃসন্দেহে আপনি লাভবান হতে পারবেন।
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার

শেয়ার বাজার এ বিনিয়োগের আগে বিবেচ্য বিষয়। 

১. বাবসায়িক শিক্ষঃ যখনি আপনি একজন শেয়ার ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে দেখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখনি আপনাকে শেয়ার ব্যবসায় বা শেয়ার বাজার সর্ম্পকে এডুকেটেড হতে হবে। নিজেকে যুদ্ধক্ষেত্রে টিকার জন্য নলেজ এর অস্ত্রে সু-সজ্জিত হতে হবে। জানতে হবে এটির আদ্যোপান্ত, মার্কেট এর সকল ফ্যাক্টর এবং নিজেকে আপটুডেট রাখতে হবে সবসময়- বিশেষ করে দেশের ইকোনোমিক এবং পলিটিকাল বিষয়। প্রথমেই মনে রাখবেন, শেয়ার ব্যবসা কোন জুয়া খেলা নয়। এখানে ব্যবসার কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। রয়েছে কিছু সুনির্দিষ্ট গানিতিক হিসাব। আপনি যদি কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের হন তবে এই গুলি বুঝতে আপনার খুবই সুবিধা হবে। আর আপনি কমার্সের স্টুডেন্ট না হলেও খুব একটা সমস্যা নেই। বাজারে এখন শেয়ার বাজার এর উপর অনেক বই পত্র পাওয়া যায়। এগুলি পড়ুন, বোঝার চেষ্টা করুণ। শেয়ার বাজার এর উপর ইন্টারনেটেও অনেক লেখা পাওয়া যায়, প্রতিনিয়ত পড়ুন এবং বুঝুন।
২. প্রতিদিন কিছু পড়াসুনা করুন এবং মার্কেট এর সাথে তা মিলিইয়ে দেখুন, মার্কেট মুভমেন্ট গুলো বোঝার চেষ্টা করুন। কিছুদিন পড়াশুনার পর যদি দেখেন বুঝতে সমস্যা হচ্ছে তবে সিকিউরিটি এক্সচেন্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেন্জ এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। এই গুলির খরচ অনেক কম। নিঃসন্দেহে উপকার পাবেন। তাছাড়া অনেক এক্সপার্ট আছেন বাংলাদেশে, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে অনেক ফি দিয়ে কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
৩. এবার ভাল একটি স্ট্রাটেজি তৈরি করে সেটাকে ধরে নিজে নিজে সাইলেন্ট ট্রেড করুন। তার মানে আজকে একটা শেয়ার আপনার স্ট্রাটেজি অনুযায়ী কি হওয়া উচিৎ তা চিন্তা করুন এবং তার ফলাফল পরিমাপ করুন। তেমনি স্ট্রাটেজি টেষ্ট এর সময়ই আপনাকে ট্রেড ম্যানেজমেন্ট শিখতে হবে। রিস্ক – রিওয়ার্ড জানতে হবে। কখনো লসে চলে গেলে কি করবেন সেসব বুঝতে হবে। টেকনিক্যাল আর ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করে ট্রেড নিতে হবে। অনেক সময় আপনার স্ট্রাটেজিতে ট্রেড নেবার সময় আসলেও মার্কেট এনালাইসিস করে দেখতে পাবেন আপনার স্ট্রাটেজিতে এখন ট্রেড নেয়াটা রিস্কি হয়ে যাচ্ছে। তখন ট্রেড থেকে বিরত থাকতে হবে। অথবা ট্রেড দিয়ে ফেললেও সেটাকে ম্যানেজিং করতে হবে। একটা গুরুত্ত পূর্ণ বিষয় হল অন্য কাউকে দেখে শেয়ার কেনাবেচা করবেন না। প্রত্যেকের পোর্টফোলিও ভিন্ন হয়। কোন একজন যে কারণে শেয়ার কিনছেন বা বিক্রি করছেন তা হয়তো আপনার কারণের সাথে মিলবে না।

৪. বাজারের কোন গুজবে কান দিবেন না। শেয়ার বাজার যখন ভাল থাকে তখন প্রচুর গুজব শুনা যায়।  আমার পরামর্শ হলো গুজবে কাননা দিয়ে খুবই ছোট আকারে শুরু করুন। আস্তে আস্তে প্রফিট করুন। খুব কম প্রফিট টার্গেট হলে রিস্কটাও খুব কম হয়। ওমুক কোম্পানী ১:৩ রাইট শেয়ার দিবে, তমুক কোম্পানী ৩০০% বোনাস দিবে, আর এক কোম্পানী ৬০০% ক্যাশ দিবে এ জাতীয় গুজবে কান দিবেন না।
৫. অনেকেই আছেন যারা বিও একাউন্ট কোন মার্চেন্ট ব্যাংক এ খুলে সামান্য কিছু টাকা ইনভেস্ট করে ২ গুন লন নিয়ে ট্রেড শুরু করেন। নতুন ব্যবসায় নামার অন্তত এক বছর ঋণ কোডে শেয়ার কিনবেন না। আগে ব্যবসাটা ভাল করে বুঝে শুনে তারপর ইচ্ছা হলে ঋণ গ্রহণ করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার নিজের টাকায় লস হলে আপনার কিছু ক্ষতি হবে। কিন্তু ব্যাংক কখনোই লস নেয়না। বাংকের টাকায় শেয়ার কিনে লস হলে ব্যাংক আপনার মূল টাকা থেকেই লস সমন্বয় করবে। তখন একটা শেয়ার এর দাম কমে গেলে ব্যাংক আপনার শেয়ার ফরসড সেল করে দিয়ে তার টাকা নিয়ে নিবে আর আপনার একাউন্ট শুন্য হয়ে যাবে। হায় হায় করা ছাড়া আপনার আর কোন গতি থাকবে না। ধরা যাক, আপনি ‘কখগ’ কোম্পানীর শেয়ার ৫০ টাকায় ১ টি শেয়ার কিনলেন। পরবর্তীতে মূল্য কমে যাওয়ায় আপনি সেই শেয়ার ৩০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হলেন। আপনার ক্ষতি হলো, ( ৫০-৩০ )=২০ টাকা। কিন্তু আপনি যদি ঋণ কোডে ব্যবসা করতেন, তাহলে হয়তো ৫০ টাকায় আরও ৫০ টাকা, মোট ১০০ টাকার শেয়ার কিনতে পারতেন। তখন আপনার ক্ষতি হতো ( ৫০ – ৩০ ) * ২ = ৪০ টাকা। এরপরও আছে শেয়ার কেনাবেচার কমিশন এবং ঋণের সুদ। যা আপনার ক্ষতির পরিমান আরও বারিয়ে দিবে। সুতরাং যত আকর্ষণীই মনে হোক না কেন নতুন বিনিয়োগকারীদের মার্চেন্ট ব্যাংকের ফাঁদে পা না দিয়ে লন করে শেয়ার বাবসা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পরকে জানুন। 

৬. ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার ক্রয় করুণ।  যদিও এটা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক আছে। কারণ বিগত ৫/৭ বছরে দেখা গেছে ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ারের চাইতে আজে বাজে শেয়ার, এমনকি কোম্পানীর অস্তিত্ব নেই, কোন লভ্যাংশ দেয়না, এমন সব শেয়ারের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। এ বিসয়ে একটা গল্প বলি, ঠিক গল্প নয় সত্যি ঘটনা,শেয়ার মার্কেট এ ট্রেডিং শেখায় এমন বহু প্রতিষ্ঠান আগে বাংলাদেশে ছিল, অবশ্য এখন তারা হারিয়ে গেছে, তো একবার এমন এক নাম করা ট্রেনিং সেন্টার এর আমন্ত্রনে সেখানে গেস্ট লেকচারার হিসাবে গল্প করতে গিয়েছিলাম। আমি যখন ক্লাসে প্রবেশ করলাম তখন ঠিক পেছনের সিট থেকে এক মাঝ বয়সি লোক দাড়িয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন, ভাই! ফান্ডামেন্টাল শেয়ার কি? আমি ক্লসে ঢুকেই এই জাতীয় প্রশ্ন শুনে একটু অবাক হলাম। পরে বুঝতে পারলাম সারাদিন রেডিও, টেলিভিশনে ফান্ডামেন্টাল শেয়ার এর নাম শুনতে শুনতে হয়তো তার এই আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং শুধুমাত্র এটা শেখার জন্যই আজকে এসেছেন। প্রশ্নের উত্তরে আমি উনাকে বললাম আপনার প্রশ্নের মধ্যই আপনার উত্তর লুকিয়ে আছে। উনি বুজতে পারলেন না। আমি বললাম, ফান্ডামেন্টাল শব্দটা আস্তে আস্তে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলেন উত্তর পেয়ে জাবেন।

উনি বললেন ফান্ডা-মেন্টাল, আমি বললাম আরও আস্তে বলেন, তারপর বললেন ফান-ডা- মেন্টাল।
হা! এটাই সঠিক উত্তর! তার মানে হল যে শেয়ারে ফান্ড দিয়ে বা ফান্ড ইনভেস্ট করে আপনি মেন্টাল হয়ে জাবেন তাকেই ফান্ডামেন্টাল শেয়ার বলে।

 প্রসংঙ্গেও বলা যায়, এগুলি বাড়ার পেছনে বিনিয়োগকারীদের অজ্ঞতাই দায়ী। তাই আজেবাজে শেয়ার না কিনে ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার কিনুন। তাহলে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় পথে বসবেন না বরং খুব ভাল লাভই পাবেন। ভাগ্যের উপর নির্ভর করা থেকে শেয়ার বাবসার এর ভিবিন্ন দিক নিয়ে শিক্ষা গ্রহন ও এনালাইসিস আপনাকে আরও ভালো এবং consistant প্রফিট পেতে সহায়তা করবে। ইমশন কন্ট্রোল করতে শিখুন । নিজেকে কখনই ইমশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে দিবেন না। ইমশন কে নিয়ন্তন যারা করতে পারবে না তারা প্রফিট কে দেখবে হুর হুর করে নিচে নামতে এবং লস কে দেখবে হুর হুর করে উপরে উঠতে। যেকোনো স্ট্রেটাজির ক্ষেত্রেই একসাথে একসাথে অনেক প্রফিট করতে যাবেন না। মানি মেনেজ মেন্ট এর সাহায্য নিয়ে ধিরে ধিরে আগান। তাহলে শেয়ার বাবসায় এর যেকোনো ঝড় মুকাবেলা করতে আপনি সক্ষম হবেন। এই সম্পর্কিত একটা বিস্তারিত আর্টিকেল পড়ুন এখানে। 

৭. শেয়ার বাবসার খুঁটিনাটি সকল বিসয়ই বোঝার চেষ্টা করুণ। নগদ টাকা দিয়ে ব্যবসা করবেন আর কিছু বুঝতে চাইবেন না, এর চাইতে আহম্মকি আর কি হতে পারে? বোঝার সবচেয়ে সহজ পথ হলো প্রতিনিয়ত আপডেট থাকা। চোখ কান খলা রাখা। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের প্রথম দিকে এই সম্পর্কিত লেখা লেখিতে, পত্র পত্রিকাতে প্রচুর সময় দিন। সব সময় ডিএসই এর এবং ট্রেডিং সম্পর্কিত আরও অনেক ওয়েবসাইটে নজর রাখুন এবং সমস্ত ইনফরমেশন এ চোখ বুলান। প্রথম দিকে এটা খুব কঠিন মনে হতে পারে, অনেক যামেলার মনে হতে পারে। কিন্তু বছরখানেক গেলেই দেখবেন আর অত সময় দিতে হবে না, অল্পতেই বুঝতে পারবেন।

৮. অন্নের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে কখনোই শেয়ার ব্যবসায় নামবেন না। মনে রাখবেন এই ব্যবসা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনিশ্চিত। আমি মনে করি, যে টাকা হারিয়ে গেলে, চলে গেলে বা নষ্ট হলে আপনার কস্ট লাগবে না সেই টাকাই শেয়ার ব্যবসায় এ ইনভেস্ট করা উচিৎ। বাপের জনি বেছে, মায়ের গহনা বেচে, কস্টের জমানো টাকা শেয়ার ব্যবসায় বা শেয়ার বাজার এ ইনভেস্ট করা কখন ই  উচিৎ নয়। এখানে যেমন প্রতি তিন দিনে লাভের সম্ভাবনা আছে, তেমনই প্রচুর ঝুঁকিও রয়েছে। তাই ব্যাংক লোন নিয়ে, জমি বিক্রি করে, অন্যের থেকে টাকা ধার করে, অলংকার বা ফ্ল্যাট বন্ধক রেখে কখনোই শেয়ার ব্যবসায় নামবেন না।

৯. প্রতিদিন লাভ হোক বা লস সবসময় সেটায় ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করে রাখুন। কেন প্রফিট হলো কেন লস হলো সব লিখে রাখুন, তাহলে আপনার লস বা প্রফিটের কারণগুলার রেকর্ড থাকবে। আর সব সময় সব জান্তা লোকজন থেকে দূরে থাকুন। শেয়ার মার্কেটে এমন অনেক লোক দেখা যায়, যারা প্রচুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলে। প্রকৃত অর্থে তারা ৩/৪ বছর ব্যবসা করেও তেমন কিছু লাভ করতে পারে না। যারা গেম্বলার তাদের জন্য উপযুক্ত স্থান হল CASINO. আর শেয়ার ব্যবসায় হল তাদের জন্য যারা ইনভেস্টমেন্ট এ আগ্রহি এবং তা থেকে ছোট পরিমাণ প্রফিট পেয়েই খুশি হবে।  সুতরাং  এই ধরণের লোকজন থেকে কম করে হলেও ১০০ হাত দূরে থাকুন।

১০. একটা ভালো ব্রোকার এ ট্রেড করুন। নিজের স্ত্রেটেজির জন্য উপযুক্ত একটি ব্রোকার নির্বাচন করুন। বিশ্বস্ত এবং বড় সিকিউরিটি হাউজ বা বড় বিশ্বস্ত ব্যাংকে বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট বা বিও খুলতে পারেন। এখানে ভাল সুযোগ-সুবিধা আশা করা যায়, এবং ব্যবহারও নিঃসন্দেহে ভাল পাবেন। ফোনে ট্রেড করা, অনলাইন ট্রেডিং করা সহ আপনার জমা ও উত্তলনের সময় ও অনেক গুরুত্তপুরন। ভালো ব্রোকার এর আর একটা বড় সুবিধা হল কোন দূর্ঘটনা ঘটলে আশা করা যায় যে তারা আপনার টাকা মেরে খাবে না। আর হ্যা, নমিনি করতে কখনোই ভুল করবেন না। কারন মানুষের জীবন মৃত্যুর কথা কিছু বলা তো যায় না ! আর আপনার মোবাইল নাম্বার এবং অ্যাড্রেস উপ টু ডেট রাখুন।


উপরের এই পরামর্শগুলি নতুন বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। আশাকরি শুভ ফলাফলই পাবেন। স্টক মার্কেটে আপনার যাত্রা শুভ হোক, অনেক বেসি লাভবান হোক এই প্রত্যাশা রইল।

ঢাকা শেয়ার বাজার – সেন্টিমেন্টাল এনালাইসিস

আমরা সাধারনত স্টক এনালাইসিস এর ক্ষেত্রে দুটি এনালাইসিস নাম শুনে থাকি।
১। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস
২। টেকনিকেল এনালাইসিস।
কিন্তু আজ আমি আপনাদের আর একটা পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। যেটা একেবারেই আমার নিজের তৈরি টেকনিক। আমি এই অ্যানালাইসিসের নাম দিয়েছি ইনভেস্টর মাইন্ড এনালাইসিস।(এটা অনেকটা টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের মতই) যেহেতু এটা একটা নতুন ধরনের এনালাইসিস তাই আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি কিছু বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করব।
যারা শেয়ার বিজনেসে নতুন আশে তারা টেকনিক্যাল বা ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বোঝেন না তারা সুধু বোঝে (টি-৩ আইটেম) ৪-১০ দিনে জন্য ইনভেস্ট করে প্রফিট নেয়া। তারা চিন্তা করে আমি যেদিন থেকে শেয়ার কিনব সেদিন থেকেই দাম বাড়া শুরু করবে। তাদের এই ধারনা আশার করন হল, নতুন বিনিয়োগ কারি তখনই বিনিয়োগ করে যখন বুলিশ মার্কেট থাকে।তখন তার বুঝে না বুঝে যে শেয়ারই ইনভেস্ট করে সেটারই দাম বাড়তে থাকে এবং এটা দেখে তারা তাদের পুজি আর বাড়ায়।কিন্তু বাস্তবতা হল মার্কেট এভাবে বেশী দিন চলতে পারেনা।যথারিতি মার্কেট যখন কারেকশন শুরু হয়, তখন ঐ যে নতুন যারা না বুঝে ইনভেস্ট করেছিল তারা মাথায় হাত দিয়ে হা-হুতাস করতে থাকে। তারা টি-৩ তে যা প্রফিট করে ছিল মার্কেট কারেক্শনের কারনে তার আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না।তখন তারা অস্থির হয়ে একটা ছেড়ে আর একটা কিনতে থাকে এতে তারা আরও লস করতে থাকে। কিন্তু তারা যদি স্থির হয়ে বসে থাকত তাহলে অল্প কিছুদিনের মাঝেই লস টা কাটিয়ে উঠতে পারত।আমার মাইন্ড এনালাইসিস টেকনিক এ ঐ সকল ইনভেস্টর দের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
৫-১০ দিনের জন্য ইনভেস্ট করাকে আমি শেয়ার বিজনেস বলিনা এটা হল লটারি অথবা গেইম খেলা। কিন্তু শেয়ার বিজনেস লটারি কিংবা গেইম খেলার জায়গা না। এখানে মেধা দিয়েই বিজনেস করতে হয়। একটা কথা মনে রাখবেন, না বুঝে ইনভেস্ট করে হয়ত আপনি সাময়িক ভাবে লাভবান হতে পারবেন কিন্তু Long Term এ এটা কখনও ই ভালহতে পারেনা। আমি কখনও ই এই গেইম টাকে সাপোর্ট করিনা। কিন্তু তারপর্ ও আমাকে মাঝে মাঝে এই গেইম এ অংশ গ্রহন করতে হয় কারন এটা বাংলাদেশি শেয়ার বাজার এখানে FA/TA সব সময় কাজ করেনা। ইনভেস্টমেন্ট সাধারনত তিন ধরনের হয়ে থাকে…
১। Long term (FA) TA News Mind
২।Mid term (FA/TA)
৩।Short term (TA)
কিন্তু আমার এনালাইসিস অনুযায়ি আর ২টা আইটেম যোগ করতে চাই
৪। Short term-২ (News)
৫। Short term-৩ (Mind Analysis)

 

যে শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ ।



এই কৌশলটি বিনিয়োগকারী ও ডে-ট্রেডার উভয় শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের জন্য প্রযোজ্য। একজন বড় মাপের শেয়ার ব্যবসায়ী যদি হতে চান আপনাকে কম সময়ে বেশী লাভ করার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আর্থিক ঝুঁকির মাত্রাও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে এমন শেয়ার চিহিৃত করতে হবে। নিম্ন লিখিত বিষয়সমূহের আলোকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার সমূহ কে বিবেচনার বাহিরে রাখতে পারেন।
১.যে শেয়ার সমূহের দাম সাধারণত বেশী হারে হ্রাস বৃদ্ধি হয় না।
২. যে শেয়ার সমূহ র্দীঘ দিনের ব্যবধানে লেনদেন হয়।
৩. যে শেয়ার সমূহ অতিমূল্যায়িত।
৪. এক সময়ের জনপ্রিয় শেয়ার কিন্তু বর্তমানে ঐ শেয়ারের চাহিদা নেই বা দরের হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না অথবা সন্তোষজনক লভ্যাংশও অন্যান্য প্রাপ্তির সম্ভাবনা নেই এমন শেয়ার।
৫. যে শেয়ার সাম্প্রতিক সময়েও লাভজনক ছিল কিন্তু ভবিষ্যতে লাভ অর্জনের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে।
৬. যে শেয়ারসমূহের দাম সাধারণত বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং সেই সময় আসতে এখনও অনেক দেরী।

শেয়ার ক্যাটাগরী



ভাল শেয়ার কিভাবে চিনবেন তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমি শেয়ার ক্যাটাগরী সম্বন্ধে লিখবো। আমার আগের লেখায় (কিভাবে ভাল শেয়ার নির্বাচন করবেন ?) বলেছিলাম ৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করার জন্য। ঔ পাঁচটির মধ্যে একটি হচ্ছে ক্যাটাগরী।
শেয়ার বাজারে মোট পাঁচ ক্যাটাগরীর শেয়ার আছে। ক্যাটাগরী গুলো হচ্ছে :
১। ক্যাটাগরী-এ (A)
২। ক্যাটাগরী-বি (B)
৩। ক্যাটাগরী-জি (G)
৪। ক্যাটাগরী-এন (N)
৫। ক্যাটাগরী-জেড (Z)

ক্যাটাগরী-এ :

যে সব কোম্পানী মিয়মিত বার্ষিক সাধারন সভা (AGM) করে এবং নূন্যতম ১০% বা তার চেয়ে অধিক হারে লভ্যাংশ প্রদান করে সে কোম্পানীর শেয়ার এ ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-বি:

যে সব কোম্পানী নিয়মিত সাধারন সভা (AGM) করে কিন্তু ১০% এর কম হারে লভ্যাংশ প্রদান করে সে কোম্পানীর শেয়ার বি ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-জি:

যে সকল কোম্পানী এখনো তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেনি সে কোম্পানীর শেয়ার জি ক্যাটাগরীর।

ক্যাটাগরী-এন:

শেয়ার বাজারে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারকে এই শ্রেনীতে রাখা হয়। (জি ক্যাটাগরী ব্যাতিত) এবং বার্ষিক সাধারনসভা ও লভ্যাংশ প্রদানের উপর ভিত্তি করে তাকে অন্য ক্যাটাগরিতে নেয়া হয়।

ক্যাটাগরী-জেড:

যে সকল কোম্পানী নিয়মিত বার্ষিক সাধারন সভা (AGM) করে না। লভ্যাংশ প্রদান করতে ব্যার্থ পুঞ্জিভুত লোকসান সঞ্চিত মুনাফাকে ছাড়িয়ে যায়। ৬মাস বা তার বেশী সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ। সে কোম্পানীর শেয়ার জেড ক্যাটাগরীর।
কোন শেয়ার কোন ক্যাটাগরীর তা জানতে এখানে ভিজিট করুন শেয়ার 
আশাকরি বুঝতে পারছেন কোনটা ভাল কোম্পানীর শেয়ার। তবে শুধু ক্যাটাগরীর উপর নির্ভর করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করা ঠিক হবে না। এর জন্য আরো রয়েছে :
১। শেয়ার প্রতি আয় (earnings per share: EPS)
২। প্রতি শেয়ারে মুনাফা প্রদান (dividend per share: DPS)
৩। মুল্য-আয় অনুপাত (price earning ratio: P/E)
৪। মুনাফা অর্জনের হার (Dividend yield) ইত্যাদি।
আমার আগের লেখাগুলোতে বলেছিলাম শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে। নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে আপনি পুরোপুরি প্রস্তুত বিনিয়োগের জন্য।
মানসিক প্রস্তুতি
শুরু করার পূর্বে বড় করে একটা শ্বাস নিন এবং নিজেকে সাহস দিন, যেন যেকোন পরিস্থিতিতে ভেঙ্গে না পড়েন। হার্টটাকে শক্ত করুন। ধের্য্যশীল হোন। এগুলো যদি না থাকতো তাহলে ১৯৯৬ সালে আমার একটা শেয়ার যখন ২৪৮ টাকা থেকে মাত্র ৩৪ টাকায় নেমে এসেছিল তখন আমার অবস্থাটা একটু চিন্তা করে দেখুন? নো রিসক নো গেইন।
ভাল শেয়ার কিনুন
ভাল শেয়ার কিনুন-এই উপদেশটা সবাই দেয়, ডিএসই’র চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বাজারের কনিষ্ঠতম বিনিয়োগকারী। কিন্তু ভাল শেয়ার বুঝবো কিভাবে ? ভাল একটি আপেক্ষিক শব্দ। একজনের কাছে যা ভাল অন্য জনের কাছে তা নাও হতে পারে। যদি নির্দিষ্ট করে বলাই যেত উমুক শেয়ার সবচেয়ে ভাল তাহলেতো সবাই ঐ নির্দিষ্ট শেয়ারই কিনতো। তাই ভাল শেয়ার নির্বাচন করতে হবে আপনাকে।
কিসের উপর নির্ভর করে ভাল শেয়ার নির্বাচন করবেন ?
১। ক্যাটাগরী (Category)
২। যেমন শেয়ার প্রতি আয় (earnings per share: EPS)
৩। প্রতি শেয়ারে মুনাফা প্রদান (dividend per share: DPS)
৪। মুল্য-আয় অনুপাত (price earning ratio: P/E)
৫। মুনাফা অর্জনের হার (Dividend yield) ইত্যাদি।

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫

শেয়ার ব্যবসা কিভাবে শুরু করব? বিও একাউন্ট কি? এটি কিভাবে খোলে।

শেয়ার ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি BO account খুলতে হবে। ব্রোকার হাউস থেকে BO account খুলতে হয়। শেয়ার যেখানে বসে কেনা বেচা হয় তাকে ব্রোকার হাউস বলে। আপনি আপনার এলাকার বা আপনি যেখান থেকে ব্যবসা করতে চান সেরকম একটি ব্রোকার হাউসে গিয়ে BO account খুলতে পারবেন। আপনি single অথবা joint account খুলতে পারবেন। ব্রোকারকে বললে আপনাকে তারা একটি ফর্ম দিবে। ঐ ফর্মটি পুরণ করে তাদের কাছে দিতে হবে। সাথে দিতে হবে

১। ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
২। আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( যে ব্যাংকে আপনার একাউন্ট আছে ঐ ব্যাংকে গিয়ে চাইলেই আপনাকে তারা স্টেটমেন্টটি দেবে।
৩। একজন নমিনির ছবি।
৪। আপনার ভোটার আইডির ফটোকপি।
বিভিন্ন ব্রোকার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেতে পারে। তাই তাদের কাছ থেকে ঠিকভাবে সবকিছু জেনে নিন। BO account খোলার জন্য ব্রোকাররা ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত চার্য করে থাকে।

Lot কি?

শেয়ার কিনতে হলে আপনাকে লট হিসেবে কিনতে হবে। বিভিন্ন কম্পানির লট সংখ্যা বিভিন্নঃ

 যেমন উপরের কম্পানিটি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে এর মার্কেট লট (লাল দাগ দেয়া) ৫০০। এর অর্থ আপনি যদি এই কম্পানির শেয়ার কিনতে চান তবে আপনাকে একবারে ৫০০ টি শেয়ার কিনতে হবে। এই কম্পানির last trade price 55. তাই ৫০০ টি শেয়ারের দাম হবে ৫০০*৫৫=২৭৫০০ টাকা। আপনি যদি বেশি শেয়ার কিনতে চান তবে লটের গুনিতক হারে অর্থাৎ ৫০০/১০০০/১৫০০ এভাবে কিনতে হবে।



আবার এই কম্পানিটি লক্ষ্য করুন। এর মার্কেট লট ৫ টি। তাই আপনি যদি এই শেয়ার কিনতে চান তবে আপনাকে ৫/১০/১৫ এভাবে কিনতে হবে। আশা করি লট কি তা এখন বুঝতে পেরেছেন।

শেয়ার মার্কেটের বিভিন্ন শেয়ারের দাম কিভাবে পড়ব ?



শেয়ার মার্কেটের বিভিন্ন কম্পানির শেয়ারের দাম ডিএসইর ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।এখানে বিভিন্ন কম্পানির শেয়ারের দামের বিবরণ উপরের ছবির মত দেয়া থাকে। আসুন এবার শিখে নেই কিভাবে এই তথ্য গুলো পড়বঃ-
১। Last Trade: এই কম্পানির লাস্ট ট্রেড কত টাকায় হয়েছে। দেখা যাচ্ছে এই কম্পানির একটি শেয়ারের দাম সর্বশেষ ৩৩২.৪০ টাকায় হয়েছে।
২। Day's range: ঐ দিনে ঐ কম্পানির একটি শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যা। দেখা যাচ্ছে ঐ দিনে এই কম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ৩৩৮ টাকা ও সর্বনিম্ন ৩২৯.৭ টাকা।
৩। Open price: যেইদিনের দাম দেখান হচ্ছে সেইদিনে ঐ কম্পানির শেয়ারের দাম কত দিয়ে শুরু হয়েছে।
৪। Yesterday close: যেইদিনের দাম দেখান হচ্ছে তার আগের দিনে শেয়ারটির লাস্ট দাম কত ছিল।
৫। Volume: মোট কতগুলো শেয়ার কেনা বেচা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে ঐ দিনে ১১০৬১৫০ টি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। যেহেতু এই কম্পানির লট সংখ্যা ৫০ টি । তাই মোট ১১০৬১৫০/৫০=২২১২৩ টি লট কেনাবেচা হয়েছে।
৬। Total trade: ঐ দিনের মোট ট্রেড সংখ্যা।
৭। Change: আজকের লাস্ট প্রাইস ও গতকালের লাস্ট প্রাইসের পার্থক্য(৩৩২.৪-৩৩০.৯=১.৫) ও তার পার্সেন্টেজ।
৮। 52 week's range: ঐ দিন থেকে ১ বছর আগের সময়ের মধ্যে ঐ শেয়ারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম।
৯। Market lot: ঐ কম্পানির মার্কেট লট। 
১০। এখান থেকে কম্পানির বিগত সময়ের শেয়ারের দাম ও ভলিউমের চার্ট দেখা যায়।

বিভিন্ন শেয়ারের ক্যাটাগরি বা শেয়ারের শ্রেণী বিভাগ



আমাদের বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে যে সকল শেয়ার রয়েছে তাদেরকে ৫ টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

A - যারা নিয়মিত AGM (Annual General Meeting) করে ও ১০% এর বেশি লভ্যাংশ প্রদান করে।
B -যারা নিয়মিত AGM (Annual General Meeting) করে কিন্তু ১০% এর কম লভ্যাংশ প্রদান করে।
G - বাজারে আসা নতুন কম্পানি কিন্তু এখনো কম্পানি চালু হয় নি।
N - বাজারে নতুন আসা কম্পানি।
Z - অনিয়মিত AGM ও লভ্যাংশ প্রদান করে না।

তাই শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করার আগে অবশ্যই এটি দেখে নেয়া উচিত।

শেয়ার কেনার আগে যা যা দেখে নেয়া উচিত



শেয়ার কেনার আগে অবশ্যই ইনভেস্টরকে কিছু জিনিস দেখে বিবেচন আকরে শেয়ার কেনা উচিত। হুট করে না বুঝে শেয়ার কেনার কোন মানেই হয় না। তাতে হয়তোবা মাঝে মধ্যে লাভ হতে পারে কিন্তু লসের চান্সই বেশি।

প্রথমেই  আপনাকে দেখতে হবে শেয়ারটি কোন ক্যাটাগরির। চেস্টা করবেন A অথবা ভাল কম্পানি হলে N ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে। কিন্তু খেয়াল রাখবেন A ক্যাটাগরির শেয়ার সবসময় ভাল নাও হতে পারে। ঐ বছর তাদের ব্যাবসা খারাপও যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত  দেখে নিন কম্পানির EPS ( Earning per share) কত? Eps যদি কম হয় তবে ঐ শেয়ার কেনা কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যে কম্পানির শেয়ারের নিজস্ব কোন ইনকাম নেই সেই শেয়ারের দাম কিভাবে বাড়বে? আর যদিও ঐ শেয়ারের দাম বাড়তি থাকে তবে ধরে নিবেন নিশ্চয়ই কোথাও কোন সমস্যা আছে।
তৃতীয়ত  দেখে নিন ঐ শেয়ারের PE (Profit earning ratio) কত। যে শেয়ারের PE যত বেশি সেই শেয়ার তত অতি মূল্যায়িত। আমাদের মার্কেটে ২৫ এর চেয়ে বেশি PE কে ঝূকিপূর্ণ ধরা হয়।

তাই শেয়ার কেনার আগে অন্তত এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করে শেয়ার কিনুন।

শেয়ার মার্কেটে EPS/ইপিএস বলতে কি বুঝায় এবং কিভাবে বাৎসরিক EPS/ইপিএস হিসেব করে?

EPS/ইপিএস কথার অর্থ হচ্ছে Earning per share বা শেয়ার প্রতি আয়। কোন কম্পানি একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ লাভ করে তাকে তাকে মার্কেটের মোট শেয়ারে ভাগ করে দিলে যা আসে তাই হল সহজ কথায় EPS/ইপিএস. ধরুন "ক" কম্পানির EPS/ইপিএস হচ্ছে ৩৪। এর অর্থ তাদের প্রতি শেয়ারে ৩৪ টাকা লাভ হয়েছে।



উপরের কম্পানিটি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন এদের প্রথম ৩ মাসে EPS ছিল ৫.০৬, এর পরের ৩+৩=৬ মাসে ৮.৫৫ এবং এর পরের ৩+৩+৩=৯ মাসে ১২.৬৯ । এখানে পুরা বছরের EPS টা এখনো আসে নি। তবুও আমরা ধারণা করে বের করতে পারি এই কম্পানির পুরো বছরের EPS কত হতে পারে। যেহেতু ৯ মাসে এর EPS ১২.৬৯ তাই ১২ মাসে হবে ১২.৬৯*(৪/৩)= ১৬.৯২।
অর্থ্যাৎ শেষের কোয়ার্টারে EPS আসবে ১৬.৯২-১২.৬৯=৪.২৩ । এটা একটা গড় হিসাব। কিন্তু দেখা যায় আসল হিসেবেও খুব বেশি হেরফের হয় না। যদি না কম্পানি খুব বেশি লাভ বা লস করে। তাই ৯ মাসের EPS জানলে খুব সহযেই আমরা টোটাল বছরেরটা বের করতে পারি যা শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রাইমারি মার্কেট আর সেকেন্ডারি মার্কেট কি?


বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে গেলে আপনি দুই ভাবে করতে পারেঃ-

এক প্রাইমারি শেয়ারের মাধ্যমে এবং
দুই  সেকেন্ডারি শেয়ারের মাধ্যমে।

       প্রাইমারি শেয়ারঃ-   বাজারে কোন কম্পানি প্রথম প্রাইমারি শেয়ারের মাধ্যমে প্রবেশ করে। অর্থাৎ নতুন কোন কম্পানিকে বাজারে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে তাকে প্রথমে প্রাইমারি শেয়ার ছাড়তে হবে। শোনা যায় সবাই বলে প্রাইমারি শেয়ারে কোন লস নাই। সেকেন্ডারি শেয়ারে প্রচুর রিস্ক। এরকম কথা তারা কেন বলে আসুন জেনে নেই। প্রতিটি কম্পানির শেয়ারের একটা ফেস ভ্যালু থাকে। কম্পানি যখন তার শেয়ারটি মার্কেটে ছাড়তে চায় তখন সে ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম যোগ করে একটি নির্দিষ্ট টাকায় শেয়ারটি অফার করে। এসইসি যদি অনুমোদন দেয় তবে তারা তাদের শেয়ার কেনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করে। যাকে আমরা IPO/আইপিও বা ইনিশিয়াল পাবলিক অফার বলে থাকি। ধরা যাক কোন কম্পানির ফেস ভ্যালু ১০ টাকা এবং তারা ৫ টাকা প্রিমিয়াম সহ শেয়ারের দাম নির্ধারণ করল ১৫ টাকা। এখন আপনি যদি ঐ শেয়ার IPO এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন তবে আপনার প্রতি শেয়ারে দাম পরে ১৫ টাকা। আপনি এখন ইচ্ছা করলে এই শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে বিক্রি করতে পারবেন। সাধারনত দেখা যায় প্রাইমারি শেয়ারের যে দাম তার তুলনায় সেকেন্ডারি মার্কেটে এর দাম বেশি হয়ে থাকে। আপনার শেয়ারটি যদি সেকেন্ডারি মার্কেটে ২৫ টাকায় ওপেন হয় তবে আপনি তখন বিক্রি করলে প্রতি শেয়ারে ১০ টাকা লাভ পেয়ে যাবেন। আপনি যদি মনে করেন এই কম্পানি সামনে আরো ভাল করবে তবে প্রাইমারিতে প্রাপ্ত শেয়ার আপনি অনেক দিন ধরেও রাখতে পারেন পরবর্তিতে বেসি দামে বিক্রির জন্য। আবার মনে করুন আপনি যে কম্পানির প্রাইমারি শেয়ার কিনতে চাচ্ছেন তার প্রিমিয়াম অনেক বেশি। তাহলে সেকেন্ডারি মার্কেটে আপনি যে দামে শেয়ার কিনেছেন তার তুলনায় দাম কমেও ওপেন হতে পারে। তাই প্রাইমারি শেয়ার মানেই লাভ না মনে করে কম্পানিটি কি দামে শেয়ার ছাড়ছে প্লাস কম্পানির আয় কেমন অর্থাৎ কম্পানিটি ভাল কিনা তা যাচাই করে কিনুন।

        সেকেন্ডারি শেয়ারঃ- প্রাইমারি শেয়ার যখন কেউ বিক্রি করে দেয় তখন তা সেকেন্ডারি শেয়ারে পরিনত হয়। সেকেন্ডারি শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে হলে আপনার শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে ব্যবসা করার জন্য ফান্ডামেন্টাল প্লাস টেকনিক্যাল এনালাইসিস সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। এ ধারনা অর্জন করতে পারলে শেয়ার ব্যবসায় আপনি ভাল লাভ করতে পারবেন। আর আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারে ব্যবসা করেন এবং একে পেশা বা বাড়তি ইনকামের সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে চান তবে সেকেন্ডারি মার্কেট খুবই উত্তম যায়গা।
তবে একটা কথা বিশেষ ভাবে বলতে চাই কেউ যদি মনে করেন শেয়ার ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাতি ধনী হয়ে যাবেন তাদের এ ব্যবসায় আসতে আমি নিষেধ করব। প্রতি ব্যবসাতেই লাভ লস থাকে এবং পরিশ্রমের দরকার। তাই যথেষ্ট মেধা ও বুদ্ধি খাটিয়ে ধীরেধীরে আপনি শেয়ার মার্কেটে অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল প্রফিট করতে পারবেন এ আশ্বাস আমি দিতে পারি।

শেয়ার বাজারের ভিক্ষাবৃত্তি এবং প্রতারণা

                                <<<<<<<সাবধান>>>>>>>সাবধান>>>>>>>সাবধান>>>>>>>





উপরুক্ত ADD ME অথবা friend request ভিক্ষুক দের চিনে রাখুন ।শেয়ার বাজারে ও ADD ME ভিক্ষুক দের আগমনে বিনিয়োগকারীরা আজ ত্যাক্ত বিরক্ত। ADD ME ভিক্ষুকরা যতই প্রলভন দেখাক তাদের থেকে সাবধান।
এতো সহজেই যদি শেয়ার ব্যাবসায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা যেত তবে বড় বড় প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যাংকসমূহ মাসিক লক্ষ টাকা বেতনে "শেয়ার বাজার এনালাইজার" নিয়োগ দিত না ।

বিঃদ্রঃ - "আপনার friend request আদায় করে ফেসবুক বন্ধুর সংখ্যা বাড়ানোই ADD ME অথবা friend request ভিক্ষুক দের একমাত্র উদ্দেশ্য । আপনার বিনিয়োগ নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথ্যা নেই । আসলে "শেয়ার বাজার" সমন্ধে তাদের জ্ঞান খুব একটা নেই বললেই চলে ।"

"!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!ঝড়ে বক ১ বারই মরে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!"

"MAKE DECISION BY OURSELVES AND BE SAFE."


এখন আপনাদের একটা গল্প শুনাই দুঃখিত শুনানোর সিস্টেম খুঁজে পাচ্ছি না লিখে দিলাম । যদিও গল্পটা কপি করা কিন্তু অসাধারনঃ-

Z নামের একটি খারাপ মৌলভিত্তির স্বল্প মূলধনি কোম্পানি, যার মার্কেট রেইট হলো ১৫ টাকা এবং পাবলিক শেয়ার হলো ৩০ লক্ষ । যে শেয়ারটি ৫০ জন পেইড মেম্বারকে কিনতে বললে টানা ১০ দিন হল্ট হয়ে থাকবে, কিন্তু পেইড মেম্বারদের পুঁজির ৫০% কেনাও শেষ হবে না !!! কারণ তাঁদের আইটেমগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০০০ ভলিয়ামে লেনদেন হয় । আর এই শেয়ারগুলোই ফেসবুকের অধিকাংশ গ্রুপ ও পেইজের এডমিনরা তাদের মেম্বারদের জন্য সবসময় সিলেক্ট করে থাকে । তারা এই আইটেমগুলো প্রথমে তাদের ২৫% পেইড মেম্বারদের মেসেজ করে দিয়ে অথবা ফোন করে বলে যে, আগামি ১৫ দিনের ভেতরে এই শেয়ারটা ১০০% এর অধিক বাড়বে অর্থাৎ ৩০ টাকায় যাবে । আপনারা আগামীকাল থেকে এই শেয়ারটি তারাতারি করে বাই করুন । প্রথম দিন তাদের এই ২৫% পেইড মেম্বারদেরকে এই শেয়ারটি কিনতে ঝাঁপিয়ে পরে । আর এই পেইড মেম্বেররা ঝাঁপিয়ে পরার কারনে লেনদেন শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ মিনিটের ভেতরে শেয়ারটি সর্বোচ্চ ৩০০০০ ভলিয়ামে লেনদেন হবার পর হল্টেড হয়ে যায় । শুরু হয় তাদের চাপাবাজির কাহিনি । তারা সেই দিন তাদের মেম্বারদের উদ্দেশ্যে স্ট্যাটাস দিয়ে বলে যে, আমরা যে আইটেম দেই সেই আইটেম সবাই কিনতে পারে না, হল্টেড হয়ে যায় হা হা হা। গতকাল ব্যস্ততার জন্য সবাইকে আইটেম দিতে পারিনাই আজ সবাইকে আইটেম দেবো । প্রথম দিন যাদেরকে আইটেম দেয় তারা আইটেম কিনতে না পেরে মেসেজ করলে বলে আগামীকাল লেনদেন শুরু হওয়া মাত্র তারাতারি করে কিনে নিবেন । দ্বিতীয় দিন তারা তাদের আরও ২৫% মেম্বারদেরকে আইটেম দিয়ে বলে যে, আগামীকাল আপনারা লেনদেন শুরু হওয়া মাত্রই এই শেয়ারটি কিনে নিবেন । দ্বিতীয় দিন প্রথম দিনের ২৫% মেম্বার ও দ্বিতীয় দিনের ২৫% মেম্বার একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়লে শেয়ারটি লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটের ভেতরে আবারো ভলিয়ামে ৫০০০০ শেয়ার লেনদেন হতেই হল্টেড হয়ে যায় । সেই দিন তারা আবার তাদের গ্রুপ ও আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলে,আমাদের আইটেম সবাই কিনতে পারেনা । যারা আজ আইটেমটি কিনতে পারেননি তারা আগামীকাল আইটেমটি কিনে নিবেন । আমার এতো পেইড মেম্বার যে,সবাইকে একসাথে আইটেম দেয়া সম্ভব হয় না । যারা এখন পর্যন্ত আইটেম পাননি তারা আজকের ভেতরেই আইটেম পেয়ে যাবেন । এই ভাবে তারা একটি আইটেম ৪ দিনে ৪ টি স্টেপে দিয়ে কৌশলে ৭/৮ দিন পেইড মেম্বারদেরকে দিয়ে হল্টেড করে রাখে । আর তাদের ফেইক আইডি দিয়ে তারা নিজেরাই নিজেদের স্ট্যাটাসে কমেন্ট গুণগান গাইতে শুরু করে । যাতে করে তাদের গুণগান দেখে অন্য সাধারণ মেম্বাররাও তাদের প্রতি উৎসাহিত হয় ।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতারকরা পেইড মেম্বার দিয়ে একটি শেয়ার ৭/৮ দিন হল্টেড করে ৭০% বৃদ্ধি করায় । কিন্তু যখন এই খারপ আয়ের কোম্পানির দর বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি বিএসইসির নজরে আসে, তখন তারা এই কোম্পানিটির দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চায় । পরের দিন থেকে আর এই শেয়ারটির বাইয়ার খুঁজে পাওয়া যায় না । তখন তাদের প্রায় ৭৫% পেইড মেম্বার যারা শেষ পর্যায়ে এই শেয়ারটি কিনে । তাদেরকে বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয় । আর প্রথম পর্যায়ে শেয়ারটি যে মেম্বাররা কিনেন তারা কিছুটা লাভ করতে পাড়েন । অর্থাৎ ২৫% মেম্বার লাভ করেন আর ৭৫% মেম্বার আইটেমটি কিনে ক্ষতিগ্রস্থ হন । আর তারা সব মেম্বারদের কাছ থেকে আইটেম দেবার পূর্বেই আইটেমের জন্য এডভান্স টাকা নিয়ে নেয় ! আর যারা আইটেমটি থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হন তাদেরকে পরবর্তীতে আইটেম দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে দেবার আশ্বাস দেয়া হয় । আর পরবর্তীতে তারা একই ধরণের আরেকটি আইটেম সিলেক্ট করে । পূর্বের আইটেমে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হন তাদেরকে প্রথমে এই আইটেম দেয় । আর যারা পূর্বে লাভ করেছেন তাদেরকে শেষে আইটেম দেয় । এতে করে যারা প্রথম আইটেমে ক্ষতিগ্রস্থ হন তারা লস পুষিয়ে নেন । আর যারা লাভ করেছিলেন তারা ক্ষতিগ্রস্থ হন । এই ভাবে লাভ ক্ষতির দোলাচলে দোলতে দোলতে বৎসর শেষে তাদের পেইড মেম্বারদের লাভের পরিমান হয় ০০.০০% । অর্থাৎ তারা গুরিয়ে ফিরিয়ে পেইড মেম্বারদের পূঁজিই পেইড মেম্বারদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়। আর তারা প্রত্যেক আইটেম থেকে পেইড মেম্বারদেরকে বাঁশ দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বৎসর শেষে লাভের পাহাড় গড়ে !! অর্থাৎ তারা তাদের মেম্বারদেরকে বোকা বানিয়ে কৈয়ের তেল দিয়ে কৈ ভাঁজে । আর এই প্রতারকদের জন্যই বাজার তার স্বাভাবিক গতি হারায় !!! তাই সমস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রতি একটি বিশেষ অনুরুধ রইলো যে, আপনারা এই সমস্ত প্রতারকের কাছ থেকে সাবধান থাকুন । আর নিজেরা বাজার নিয়ে প্রতিদিন স্টাডি করুন । নিজেদেরকে সচেতন করে তুলুন । তারপর শেয়ারবাজারে পূঁজি বিনিয়োগ করুন ।

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকারীঃ-  তোফায়েল আহমেদ