সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫

শেয়ার মার্কেটে EPS/ইপিএস বলতে কি বুঝায় এবং কিভাবে বাৎসরিক EPS/ইপিএস হিসেব করে?

EPS/ইপিএস কথার অর্থ হচ্ছে Earning per share বা শেয়ার প্রতি আয়। কোন কম্পানি একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ লাভ করে তাকে তাকে মার্কেটের মোট শেয়ারে ভাগ করে দিলে যা আসে তাই হল সহজ কথায় EPS/ইপিএস. ধরুন "ক" কম্পানির EPS/ইপিএস হচ্ছে ৩৪। এর অর্থ তাদের প্রতি শেয়ারে ৩৪ টাকা লাভ হয়েছে।



উপরের কম্পানিটি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন এদের প্রথম ৩ মাসে EPS ছিল ৫.০৬, এর পরের ৩+৩=৬ মাসে ৮.৫৫ এবং এর পরের ৩+৩+৩=৯ মাসে ১২.৬৯ । এখানে পুরা বছরের EPS টা এখনো আসে নি। তবুও আমরা ধারণা করে বের করতে পারি এই কম্পানির পুরো বছরের EPS কত হতে পারে। যেহেতু ৯ মাসে এর EPS ১২.৬৯ তাই ১২ মাসে হবে ১২.৬৯*(৪/৩)= ১৬.৯২।
অর্থ্যাৎ শেষের কোয়ার্টারে EPS আসবে ১৬.৯২-১২.৬৯=৪.২৩ । এটা একটা গড় হিসাব। কিন্তু দেখা যায় আসল হিসেবেও খুব বেশি হেরফের হয় না। যদি না কম্পানি খুব বেশি লাভ বা লস করে। তাই ৯ মাসের EPS জানলে খুব সহযেই আমরা টোটাল বছরেরটা বের করতে পারি যা শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রাইমারি মার্কেট আর সেকেন্ডারি মার্কেট কি?


বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে গেলে আপনি দুই ভাবে করতে পারেঃ-

এক প্রাইমারি শেয়ারের মাধ্যমে এবং
দুই  সেকেন্ডারি শেয়ারের মাধ্যমে।

       প্রাইমারি শেয়ারঃ-   বাজারে কোন কম্পানি প্রথম প্রাইমারি শেয়ারের মাধ্যমে প্রবেশ করে। অর্থাৎ নতুন কোন কম্পানিকে বাজারে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে তাকে প্রথমে প্রাইমারি শেয়ার ছাড়তে হবে। শোনা যায় সবাই বলে প্রাইমারি শেয়ারে কোন লস নাই। সেকেন্ডারি শেয়ারে প্রচুর রিস্ক। এরকম কথা তারা কেন বলে আসুন জেনে নেই। প্রতিটি কম্পানির শেয়ারের একটা ফেস ভ্যালু থাকে। কম্পানি যখন তার শেয়ারটি মার্কেটে ছাড়তে চায় তখন সে ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম যোগ করে একটি নির্দিষ্ট টাকায় শেয়ারটি অফার করে। এসইসি যদি অনুমোদন দেয় তবে তারা তাদের শেয়ার কেনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করে। যাকে আমরা IPO/আইপিও বা ইনিশিয়াল পাবলিক অফার বলে থাকি। ধরা যাক কোন কম্পানির ফেস ভ্যালু ১০ টাকা এবং তারা ৫ টাকা প্রিমিয়াম সহ শেয়ারের দাম নির্ধারণ করল ১৫ টাকা। এখন আপনি যদি ঐ শেয়ার IPO এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন তবে আপনার প্রতি শেয়ারে দাম পরে ১৫ টাকা। আপনি এখন ইচ্ছা করলে এই শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে বিক্রি করতে পারবেন। সাধারনত দেখা যায় প্রাইমারি শেয়ারের যে দাম তার তুলনায় সেকেন্ডারি মার্কেটে এর দাম বেশি হয়ে থাকে। আপনার শেয়ারটি যদি সেকেন্ডারি মার্কেটে ২৫ টাকায় ওপেন হয় তবে আপনি তখন বিক্রি করলে প্রতি শেয়ারে ১০ টাকা লাভ পেয়ে যাবেন। আপনি যদি মনে করেন এই কম্পানি সামনে আরো ভাল করবে তবে প্রাইমারিতে প্রাপ্ত শেয়ার আপনি অনেক দিন ধরেও রাখতে পারেন পরবর্তিতে বেসি দামে বিক্রির জন্য। আবার মনে করুন আপনি যে কম্পানির প্রাইমারি শেয়ার কিনতে চাচ্ছেন তার প্রিমিয়াম অনেক বেশি। তাহলে সেকেন্ডারি মার্কেটে আপনি যে দামে শেয়ার কিনেছেন তার তুলনায় দাম কমেও ওপেন হতে পারে। তাই প্রাইমারি শেয়ার মানেই লাভ না মনে করে কম্পানিটি কি দামে শেয়ার ছাড়ছে প্লাস কম্পানির আয় কেমন অর্থাৎ কম্পানিটি ভাল কিনা তা যাচাই করে কিনুন।

        সেকেন্ডারি শেয়ারঃ- প্রাইমারি শেয়ার যখন কেউ বিক্রি করে দেয় তখন তা সেকেন্ডারি শেয়ারে পরিনত হয়। সেকেন্ডারি শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে হলে আপনার শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে ব্যবসা করার জন্য ফান্ডামেন্টাল প্লাস টেকনিক্যাল এনালাইসিস সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। এ ধারনা অর্জন করতে পারলে শেয়ার ব্যবসায় আপনি ভাল লাভ করতে পারবেন। আর আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারে ব্যবসা করেন এবং একে পেশা বা বাড়তি ইনকামের সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে চান তবে সেকেন্ডারি মার্কেট খুবই উত্তম যায়গা।
তবে একটা কথা বিশেষ ভাবে বলতে চাই কেউ যদি মনে করেন শেয়ার ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাতি ধনী হয়ে যাবেন তাদের এ ব্যবসায় আসতে আমি নিষেধ করব। প্রতি ব্যবসাতেই লাভ লস থাকে এবং পরিশ্রমের দরকার। তাই যথেষ্ট মেধা ও বুদ্ধি খাটিয়ে ধীরেধীরে আপনি শেয়ার মার্কেটে অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল প্রফিট করতে পারবেন এ আশ্বাস আমি দিতে পারি।

সেক্সটিং



মনোবিদ অনুত্তমা মজুমদার বলছেন, “অনেক দিনের প্রেম, অনেক দিনের দাম্পত্য শরীরেও একটা একঘেয়েমি এনে দেয়। রোম্যান্স বা যৌন উত্তেজনা হারিয়ে যায়। ‘সেক্সটিং’ সেই বসন্তকে জ্বালিয়ে দেয়। আমার কাছে এমন অনেক ক্লায়েন্ট আসেন যারা বলেন, ও আমাকে আগের মতো আর ভালবাসে না। আসলে এটা ভালবাসার বিষয় নয়। কমিটেড রিলেশনে ভালবাসা বা কোনও সম্পর্কে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে, অনেক দিনের চেনা সম্পর্কেও সেক্সটিং-এর প্রবণতা এখন বাড়ছে।”

সেক্স আর টেক্সট মেসেজকে একযোগে নিজের পছন্দসই শব্দে, ছবিতে ভরিয়ে ইনবক্স থেকে মেসেজবক্স সাজিয়ে তোলার নেশায় ভিজে যাচ্ছে বাঙালির চেতন-অবচেতন। কোথাও কিছুর যেন অপেক্ষা নেই, ফাঁক নেই। সেক্সটিং পুরিয়ে দিচ্ছে মন ছোঁওয়া শরীরী সাধ। লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ, প্রেমে ব্যথা পেয়ে সিঙ্গল থাকার ফূর্তি, প্রেম নয় অথচ প্রেম সম্পর্কে জেরবার এই প্রজন্ম বেঁচে আছে সেক্সটিং-এর খুঁটি ধরে। আপাত ‘ভালগার’ শুনে গা রি-রি করলেও, নিজের মতো ভাল থাকার এই জগতে ক্ষণিকের আনন্দযাপন থেকে বিরত থাকাই যে দায়!
তবে ‘সেক্সটিং’ কোনও নতুন শব্দ নয়। টেক্সট মেসেজের সঙ্গে রগরগে ভাষা এবং নিজের বা অন্যের ছবি পাঠানোই হল সেক্সটিং-এর মোদ্দা গপ্প। মূলত ২১ শতকের শব্দ সেক্সটিং। ২০১২ সালে মেরিয়ান ওয়েবস্টার ডিকশনারিতে এই শব্দ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

সেক্সটিং এক্কেবারে নতুন শব্দ না হলেও যৌনতার ভাষা এখন বদলে গিয়েছে। তা এখন আর সুড়সুড়ির পর্যায়ে নেই। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের খোলা হাওয়ায় খুল্লামখুলা চুমু-র চমকের পর ‘সেক্সটিং’ শুনে মুখ লুকনোর দিন শেষ। ছেলেমেয়েরা উচ্ছন্নে গেল বলে বাবা-মায়েরা যদি কাঁদতে বসেন তো সমূহ বিপদ! সম্পর্ক এখন আলগা চাওয়া-পাওয়ার। এই চাওয়া-পাওয়াগুলো সামনে যখন মেটে না তখন যদি তা ‘সেক্সটিং-এর মাধ্যমে জোটে তা হলে মন্দ কী? মনোবিদরা বলছেন, অস্থির জীবনে স্বস্তি আনতে সেক্সটিং-এর জুড়ি নেই, এতে মন ভাল থাকে।

সেক্সটিং কেমন করে চলে?

এই আলোচনা শুরু হয় অপর প্রান্তের মানুষটি কী পোশাক পরে আছে, তাই দিয়ে! তার পরবর্তী ধাপে দুই প্রান্তের নানা শারীরিক চাহিদা ফুটে ওঠে সেক্সটিং-এ। চালাচালি হতে পারে নিজেদের একাধিক নগ্ন শরীরের ছবি বা পর্ন ছবি। সেক্সটিং কি তা হলে এক ধরনের পারভার্সন? জোর আপত্তি তুলেছে এই প্রজন্ম।

“আমার অনেক সেক্সটিং পার্টনার আছে। সবাই ক্লাসমেট। এমনিতে মেসেজ হতে হতেই তো সেশন শুরু হয়। ভীষণ রিল্যাক্স লাগে আফটার সাচ সেশন। এর মধ্যে পারভার্সনের কী আছে? এটা জাস্ট একটা ভাললাগা। তা হলে তো পর্নোগ্রাফি দেখাও পারভার্সন। আর দু’জনের যেখানে সমর্থন রয়েছে সেখানে সেক্সটিং ইজ ভেরি হেলদি।” জোরের সঙ্গে বললেন দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী অণ্বেষা।

এই প্রসঙ্গে অবশ্য সেক্সটিং নিয়ে আর একটা প্রশ্নও ওঠে! কারা এতে বেশি নিমগ্ন থাকে? মেয়েরা না ছেলেরা?
এখানে মেয়েরাই হাত তুলে নিজের অস্তিত্ব জানাচ্ছে। কাজের জন্য কথায় কথায় বিদেশে যাওয়া এই প্রজন্ম একে অপরকে কাছে পেতে, স্কাইপে, হোয়াটস অ্যাপে, নানা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সেক্সটিং’-এর মাধ্যমে নিজেদের চাহিদাকে উজাড় করে দিচ্ছেন। “আমার স্বামী থাকেন মিশিগানে। আমি কলকাতায় চাকরি করি। চাকরি ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা নিয়মিত স্কাইপে বা টেক্সট মেসেজে শরীর দেওয়া-নেওয়ার আনন্দটুকু মিটিয়ে নিই। আমি এতেই ভাল থাকি। আমার স্বামীর থেকে আমিই বেশি অপেক্ষা করে থাকি ভোরের জন্য, ওটাই আমাদের সময়। কখনও ও রাজি না থাকলে আমি নিজেই আমার পোশাক বর্ণনা দিয়ে ওকে রাজি করাই। সুখটুকু খুঁজে নিতে ক্ষতি কী?” কফিতে চুমুক দিয়ে মুচকি হেসে জানালেন কলকাতার এক নাম করা হাসপাতালের পদস্থ কর্মী লোপামুদ্রা সরকার।

কলেজ জীবনে পাঁচ বছরের সম্পর্কে ধাক্কা খেয়েছিলেন স্বাতী দত্ত। পুরোদস্তুর আবেগপ্রবণ স্বাতী ডিপ্রেশনে চলে যান। ধাক্কাটা এমনই লাগে যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে গিয়ে তিনি একের চেয়ে অধিক পুরুষের অ্যাটেনশন দাবি করে বসেন। বর্তমানে স্বাতীর ছ’জন ‘সেক্সটিং’ পার্টনার। কোনও কমিটমেন্ট বা সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় স্বাতীর পক্ষে এটা চালানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানালেন মনোবিদ নীলাঞ্জনা সান্যাল। স্বাতী তাঁরই ক্লায়েন্ট। ‘সেক্সটিং’ কিছুটা ক্ষতিও করছে বলে মানছেন তিনি।

মনোবিদ রঞ্জিতা বিশ্বাসের মতে, সেক্সটিং অন্য অনেক টার্মের মতোই একদম এই সময়ের একটা শব্দ। সেখানে ছবি শেয়ারিং বা সেক্সুয়াল কথাবার্তার মাধ্যমে একটি ছেলে বা মেয়ে সাময়িক যৌন আনন্দ খুঁজে নেয়। কিন্তু এতেই তো শেষ নয়। শারীরিক সম্পর্কের জন্য যখন আর সে ভাবে অপেক্ষা করতে হয় না এই প্রজন্মকে, সেখানে কেন সেক্সটিং? ভীষণ নবিশ মনে হয় না? “আসলে আমার কাছে কাউন্সেলিং-এ আসা ছেলেমেয়েদের দেখে মনে হয়েছে, এরা ওপেন স্মার্ট হলেও অন্যের সামনে নিজেকে খুলে ধরতে সময় নেয়। সেক্সটিং-এর ভারচুয়াল গ্যাপ নিজেকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। আবার অনেকে জানিয়েছে সেক্সটিং-এ যৌন ক্ষিদে মিটে যায়, তাই আর শারীরিক সম্পর্কের দিকে তারা উৎসাহ পায় না।” বললেন রঞ্জিতাদেবী।

মনোবিদ অনুত্তমা জানালেন আরও ভয়ঙ্কর দিকের কথা! তাঁর মতে, এই প্রজন্মের বহু ছেলেমেয়ে টাকার জন্য সেক্সটিং করে থাকে। স্কুল বা কলেজের পকেটমানিতে মদ বা আরও কোনও নেশার খিদে তো মেটে না, অনেক সময় সেটা পূরণের জন্য বা নিছকই টাকার লোভে ছেলেমেয়েরা বয়সে অনেকটা বড় কারও সঙ্গে ‘সেক্সটিং’ করতে আরম্ভ করে, যা থেকে বেরিয়েও আসতে পারে না। এটা কিন্তু বেশ চিন্তার। আর অপরাধের দিকটা? প্রেমিকার নগ্ন ছবি বাজারে বেচার জঘন্য মানসিকতা? অপর দিকের মানুষটি আদতে কেমন, তা-ও তো আপনি জানেন না। তার কাছে চলে যাওয়া কয়েকটা সুন্দর মুহূর্ত পরে আত্মহত্যার কারণ হবে না তো?

শুধু সেক্সটিং করার আগে আরও এক বার ভাবুন, শরীর শরীর তোমার মন নাই!

(সংগৃহীত)

শেয়ার বাজারের ভিক্ষাবৃত্তি এবং প্রতারণা

                                <<<<<<<সাবধান>>>>>>>সাবধান>>>>>>>সাবধান>>>>>>>





উপরুক্ত ADD ME অথবা friend request ভিক্ষুক দের চিনে রাখুন ।শেয়ার বাজারে ও ADD ME ভিক্ষুক দের আগমনে বিনিয়োগকারীরা আজ ত্যাক্ত বিরক্ত। ADD ME ভিক্ষুকরা যতই প্রলভন দেখাক তাদের থেকে সাবধান।
এতো সহজেই যদি শেয়ার ব্যাবসায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা যেত তবে বড় বড় প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যাংকসমূহ মাসিক লক্ষ টাকা বেতনে "শেয়ার বাজার এনালাইজার" নিয়োগ দিত না ।

বিঃদ্রঃ - "আপনার friend request আদায় করে ফেসবুক বন্ধুর সংখ্যা বাড়ানোই ADD ME অথবা friend request ভিক্ষুক দের একমাত্র উদ্দেশ্য । আপনার বিনিয়োগ নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথ্যা নেই । আসলে "শেয়ার বাজার" সমন্ধে তাদের জ্ঞান খুব একটা নেই বললেই চলে ।"

"!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!ঝড়ে বক ১ বারই মরে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!"

"MAKE DECISION BY OURSELVES AND BE SAFE."


এখন আপনাদের একটা গল্প শুনাই দুঃখিত শুনানোর সিস্টেম খুঁজে পাচ্ছি না লিখে দিলাম । যদিও গল্পটা কপি করা কিন্তু অসাধারনঃ-

Z নামের একটি খারাপ মৌলভিত্তির স্বল্প মূলধনি কোম্পানি, যার মার্কেট রেইট হলো ১৫ টাকা এবং পাবলিক শেয়ার হলো ৩০ লক্ষ । যে শেয়ারটি ৫০ জন পেইড মেম্বারকে কিনতে বললে টানা ১০ দিন হল্ট হয়ে থাকবে, কিন্তু পেইড মেম্বারদের পুঁজির ৫০% কেনাও শেষ হবে না !!! কারণ তাঁদের আইটেমগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০০০ ভলিয়ামে লেনদেন হয় । আর এই শেয়ারগুলোই ফেসবুকের অধিকাংশ গ্রুপ ও পেইজের এডমিনরা তাদের মেম্বারদের জন্য সবসময় সিলেক্ট করে থাকে । তারা এই আইটেমগুলো প্রথমে তাদের ২৫% পেইড মেম্বারদের মেসেজ করে দিয়ে অথবা ফোন করে বলে যে, আগামি ১৫ দিনের ভেতরে এই শেয়ারটা ১০০% এর অধিক বাড়বে অর্থাৎ ৩০ টাকায় যাবে । আপনারা আগামীকাল থেকে এই শেয়ারটি তারাতারি করে বাই করুন । প্রথম দিন তাদের এই ২৫% পেইড মেম্বারদেরকে এই শেয়ারটি কিনতে ঝাঁপিয়ে পরে । আর এই পেইড মেম্বেররা ঝাঁপিয়ে পরার কারনে লেনদেন শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ মিনিটের ভেতরে শেয়ারটি সর্বোচ্চ ৩০০০০ ভলিয়ামে লেনদেন হবার পর হল্টেড হয়ে যায় । শুরু হয় তাদের চাপাবাজির কাহিনি । তারা সেই দিন তাদের মেম্বারদের উদ্দেশ্যে স্ট্যাটাস দিয়ে বলে যে, আমরা যে আইটেম দেই সেই আইটেম সবাই কিনতে পারে না, হল্টেড হয়ে যায় হা হা হা। গতকাল ব্যস্ততার জন্য সবাইকে আইটেম দিতে পারিনাই আজ সবাইকে আইটেম দেবো । প্রথম দিন যাদেরকে আইটেম দেয় তারা আইটেম কিনতে না পেরে মেসেজ করলে বলে আগামীকাল লেনদেন শুরু হওয়া মাত্র তারাতারি করে কিনে নিবেন । দ্বিতীয় দিন তারা তাদের আরও ২৫% মেম্বারদেরকে আইটেম দিয়ে বলে যে, আগামীকাল আপনারা লেনদেন শুরু হওয়া মাত্রই এই শেয়ারটি কিনে নিবেন । দ্বিতীয় দিন প্রথম দিনের ২৫% মেম্বার ও দ্বিতীয় দিনের ২৫% মেম্বার একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়লে শেয়ারটি লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটের ভেতরে আবারো ভলিয়ামে ৫০০০০ শেয়ার লেনদেন হতেই হল্টেড হয়ে যায় । সেই দিন তারা আবার তাদের গ্রুপ ও আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলে,আমাদের আইটেম সবাই কিনতে পারেনা । যারা আজ আইটেমটি কিনতে পারেননি তারা আগামীকাল আইটেমটি কিনে নিবেন । আমার এতো পেইড মেম্বার যে,সবাইকে একসাথে আইটেম দেয়া সম্ভব হয় না । যারা এখন পর্যন্ত আইটেম পাননি তারা আজকের ভেতরেই আইটেম পেয়ে যাবেন । এই ভাবে তারা একটি আইটেম ৪ দিনে ৪ টি স্টেপে দিয়ে কৌশলে ৭/৮ দিন পেইড মেম্বারদেরকে দিয়ে হল্টেড করে রাখে । আর তাদের ফেইক আইডি দিয়ে তারা নিজেরাই নিজেদের স্ট্যাটাসে কমেন্ট গুণগান গাইতে শুরু করে । যাতে করে তাদের গুণগান দেখে অন্য সাধারণ মেম্বাররাও তাদের প্রতি উৎসাহিত হয় ।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতারকরা পেইড মেম্বার দিয়ে একটি শেয়ার ৭/৮ দিন হল্টেড করে ৭০% বৃদ্ধি করায় । কিন্তু যখন এই খারপ আয়ের কোম্পানির দর বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি বিএসইসির নজরে আসে, তখন তারা এই কোম্পানিটির দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চায় । পরের দিন থেকে আর এই শেয়ারটির বাইয়ার খুঁজে পাওয়া যায় না । তখন তাদের প্রায় ৭৫% পেইড মেম্বার যারা শেষ পর্যায়ে এই শেয়ারটি কিনে । তাদেরকে বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয় । আর প্রথম পর্যায়ে শেয়ারটি যে মেম্বাররা কিনেন তারা কিছুটা লাভ করতে পাড়েন । অর্থাৎ ২৫% মেম্বার লাভ করেন আর ৭৫% মেম্বার আইটেমটি কিনে ক্ষতিগ্রস্থ হন । আর তারা সব মেম্বারদের কাছ থেকে আইটেম দেবার পূর্বেই আইটেমের জন্য এডভান্স টাকা নিয়ে নেয় ! আর যারা আইটেমটি থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হন তাদেরকে পরবর্তীতে আইটেম দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে দেবার আশ্বাস দেয়া হয় । আর পরবর্তীতে তারা একই ধরণের আরেকটি আইটেম সিলেক্ট করে । পূর্বের আইটেমে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হন তাদেরকে প্রথমে এই আইটেম দেয় । আর যারা পূর্বে লাভ করেছেন তাদেরকে শেষে আইটেম দেয় । এতে করে যারা প্রথম আইটেমে ক্ষতিগ্রস্থ হন তারা লস পুষিয়ে নেন । আর যারা লাভ করেছিলেন তারা ক্ষতিগ্রস্থ হন । এই ভাবে লাভ ক্ষতির দোলাচলে দোলতে দোলতে বৎসর শেষে তাদের পেইড মেম্বারদের লাভের পরিমান হয় ০০.০০% । অর্থাৎ তারা গুরিয়ে ফিরিয়ে পেইড মেম্বারদের পূঁজিই পেইড মেম্বারদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়। আর তারা প্রত্যেক আইটেম থেকে পেইড মেম্বারদেরকে বাঁশ দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বৎসর শেষে লাভের পাহাড় গড়ে !! অর্থাৎ তারা তাদের মেম্বারদেরকে বোকা বানিয়ে কৈয়ের তেল দিয়ে কৈ ভাঁজে । আর এই প্রতারকদের জন্যই বাজার তার স্বাভাবিক গতি হারায় !!! তাই সমস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রতি একটি বিশেষ অনুরুধ রইলো যে, আপনারা এই সমস্ত প্রতারকের কাছ থেকে সাবধান থাকুন । আর নিজেরা বাজার নিয়ে প্রতিদিন স্টাডি করুন । নিজেদেরকে সচেতন করে তুলুন । তারপর শেয়ারবাজারে পূঁজি বিনিয়োগ করুন ।

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকারীঃ-  তোফায়েল আহমেদ

বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৫

বোধ

রমজান মাস সিয়াম সাধনার মাস । সংযমের মাস । কিন্তু আমরা কতটুকু সংযম পালন করি তার একটা চিত্র এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্রে ("বোধ") অসাধারণ ভাবে উঠে এসেছে । একটা শিশুর খাদ্য সংস্থানের জন্য যে যুদ্ধ সেটাই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এরকম হাজারো লক্ষ শিশু আমাদের সমাজে বিদ্যমান কজনের খবরই বা আমরা রাখি ?



মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৫

চটি পেজ

১৭ বছরের ফেসবুক ব্যবহারকারী কিশোর শব্দ একদিকে চটি পেইজে লাইক দেয় আবার অন্যদিকে বিভিন্ন ধর্মীয় পেইজে লাইক দেয় । আবার কোন এক সময় চটি পেইজের বিপক্ষে তৈরি করা পেইজেও লাইক দেয় । আমাদের চারপাশে শব্দের মতো এরকম অনেক কিশোর এক প্রকার মিশ্রিত চিন্তা-চেতনা নিয়ে দিন দিন বড় হচ্ছে । যেটা একসময় গিয়ে পরিণত হচ্ছে ভয়ংকর মৌলবাদী মতাদর্শে।

বিঃদ্রঃ "চটি পেইজ"নামক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাহিনী সংক্ষেপ"

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্রটি আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।




The DSLR Show

আপনাকে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি আপনি না হেসে পারবেন না ।